ঢাকা , সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো জিএম আইটি প্রেজেন্ট বিজিসিএফ অ্যাওয়ার্ড সিজন-৪ ফরিদপুর ১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম রুমিন ফারহানার জন্য তারেক রহমানের কাছে নমিনেশন চাইলেন হিরো আলম আন্দালিব রহমান পার্থর সঙ্গে এমপি পদে লড়বেন হিরো আলম সারাদেশে পুলিশের সব ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ ইউ গ্রেড ছাড়পত্র পেলও সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’ ইন্টারনেট ফেরায় কাবুলের রাস্তায় উদযাপন আফগানদের ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি : আমীর খসরু ২৬ বছরের ছোট আনাকে মহাকাশে বিয়ে করতে চান টম ক্রুজ! ফরিদপুরে জুয়া খেলার অভিযোগে ৬ জন গ্রেফতার

ইউ গ্রেড ছাড়পত্র পেলও সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’

ইউ গ্রেড ছাড়পত্র পেয়েছে সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’। ঐতিহ্যবাহী বেহুলা লক্ষিন্দরের গীতিনাট্য বেহুলা নাচারি পালা উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। টাঙ্গাইলসহ আশেপাশে কয়েকটি জেলাতে এক সময় বেহুলা ও লক্ষিন্দরের কাহিনীকে কেন্দ্র করে গীতিনাট্য বেহুলা নাচারি পালা গ্রামে-গঞ্জে প্রদর্শিত হতো। এমন একটি দলের সদস্যদের জীবনের গল্পের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সিনেমাটি কোনও কর্তন ছাড়াই ইউ গ্রেড সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে বলে জানা যায়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান উৎসব অরিজিনালস।

সেন্সর বোর্ড থেকে ইউ গ্রেড পাওয়া মানে ছবিটি কোনো বয়স সীমাবদ্ধতা ছাড়াই পারিবারিক দর্শকদের জন্য উপযোগী।

মো: জাহিদুল ইসলামের প্রযোজনায় সিনেমাটি নির্মাণ করছেন সবুজ খান। সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন ফজলুর রহমান বাবু

সিনেমাটি প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বাবু বলেন, বেহুলা দরদী টাঙ্গাইল অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতির গল্পে নির্মিত একটি সিনেমা। সবুজের খানের পরিচালনায় খুব দারুণ একটি কাজ হয়েছে। সব থেকে বড় কথা, আমরা কাজটি করেছি একটি দায়বদ্ধতা থেকে। কারণ আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরাটা সত্যি আনন্দের।

নির্মাতা সবুজ খান বলেন, টাংগাইল জেলার মধুপুর অঞ্চলে এক সময় বেহুলা লক্ষিন্দরের কাহিনী নিয়ে বেহুলা নাচারি ( গীতিনাট্য) খুব জনপ্রিয় ছিল। কালের বিবর্তনে এখন এই সংস্কৃতিটা প্রায় বিলুপ্ত। তাই এমন গল্প আমাদের সিনেমার জন্য বেছে নিয়েছি, যেটা আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিকশিত করবে বলে আশাকরি। আর এটি আমার প্রথম চলচ্চিত্র, দর্শক সিনেমাটি ভালো ভাবে গ্রহণ করলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।

মো: জাহিদুল ইসলাম বলেন, সিনেমাটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়ে আমরা সত্যি ভীষণ আনন্দিত। সিনেমাটি খুব শীঘ্রই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলছে। এছাড়াও বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বেহুলা দরদী প্রদর্শিত হবে।

সিনেমার গল্পে দেখা যাবে নাগবাড়ি বেহুলা নাচারি দলের প্রধান ভোলা মিয়া তাদের নাচারি গানের দলটিকে টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত হিমসিম খাচ্ছেন। পর পর কয়েকবার ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় হেরে দলটির সম্মান প্রায় তলানিতে। এই অবস্থায় দলটিকে প্রতিযোগিতায় জেতাতে চলবে নানা চেষ্টা। আর এভাবে এগিয়ে যাবে সিনেমার গল্প।

বেহুলা দরদী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন প্রাণ রায়, সূচনা সিকদার, আজিজুন মীম, আশরাফুল আশীষ, আঁখি আক্তার, সেলজুক ত্বারিক, মো: আলগীর হেসেন, শেখ মেরাজুল ইসলাম,

মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো

জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো জিএম আইটি প্রেজেন্ট বিজিসিএফ অ্যাওয়ার্ড সিজন-৪

ইউ গ্রেড ছাড়পত্র পেলও সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’

সময় : ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

ইউ গ্রেড ছাড়পত্র পেয়েছে সিনেমা ‘বেহুলা দরদী’। ঐতিহ্যবাহী বেহুলা লক্ষিন্দরের গীতিনাট্য বেহুলা নাচারি পালা উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। টাঙ্গাইলসহ আশেপাশে কয়েকটি জেলাতে এক সময় বেহুলা ও লক্ষিন্দরের কাহিনীকে কেন্দ্র করে গীতিনাট্য বেহুলা নাচারি পালা গ্রামে-গঞ্জে প্রদর্শিত হতো। এমন একটি দলের সদস্যদের জীবনের গল্পের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সিনেমাটি কোনও কর্তন ছাড়াই ইউ গ্রেড সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে বলে জানা যায়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান উৎসব অরিজিনালস।

সেন্সর বোর্ড থেকে ইউ গ্রেড পাওয়া মানে ছবিটি কোনো বয়স সীমাবদ্ধতা ছাড়াই পারিবারিক দর্শকদের জন্য উপযোগী।

মো: জাহিদুল ইসলামের প্রযোজনায় সিনেমাটি নির্মাণ করছেন সবুজ খান। সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন ফজলুর রহমান বাবু

সিনেমাটি প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বাবু বলেন, বেহুলা দরদী টাঙ্গাইল অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতির গল্পে নির্মিত একটি সিনেমা। সবুজের খানের পরিচালনায় খুব দারুণ একটি কাজ হয়েছে। সব থেকে বড় কথা, আমরা কাজটি করেছি একটি দায়বদ্ধতা থেকে। কারণ আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরাটা সত্যি আনন্দের।

নির্মাতা সবুজ খান বলেন, টাংগাইল জেলার মধুপুর অঞ্চলে এক সময় বেহুলা লক্ষিন্দরের কাহিনী নিয়ে বেহুলা নাচারি ( গীতিনাট্য) খুব জনপ্রিয় ছিল। কালের বিবর্তনে এখন এই সংস্কৃতিটা প্রায় বিলুপ্ত। তাই এমন গল্প আমাদের সিনেমার জন্য বেছে নিয়েছি, যেটা আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিকশিত করবে বলে আশাকরি। আর এটি আমার প্রথম চলচ্চিত্র, দর্শক সিনেমাটি ভালো ভাবে গ্রহণ করলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।

মো: জাহিদুল ইসলাম বলেন, সিনেমাটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়ে আমরা সত্যি ভীষণ আনন্দিত। সিনেমাটি খুব শীঘ্রই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলছে। এছাড়াও বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বেহুলা দরদী প্রদর্শিত হবে।

সিনেমার গল্পে দেখা যাবে নাগবাড়ি বেহুলা নাচারি দলের প্রধান ভোলা মিয়া তাদের নাচারি গানের দলটিকে টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত হিমসিম খাচ্ছেন। পর পর কয়েকবার ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় হেরে দলটির সম্মান প্রায় তলানিতে। এই অবস্থায় দলটিকে প্রতিযোগিতায় জেতাতে চলবে নানা চেষ্টা। আর এভাবে এগিয়ে যাবে সিনেমার গল্প।

বেহুলা দরদী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন প্রাণ রায়, সূচনা সিকদার, আজিজুন মীম, আশরাফুল আশীষ, আঁখি আক্তার, সেলজুক ত্বারিক, মো: আলগীর হেসেন, শেখ মেরাজুল ইসলাম,